প্রিন্ট এর তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
ভূমিদস্যুদের হামলা ও মিথ্যা মামলার অভিযোগ, নিরাপত্তা চাইলেন কলেজ শিক্ষার্থী সাদেক
||
নিউজ ডেস্ক:ভূমিদস্যু ও জবরদখলকারীদের হামলা, লুটপাট এবং মিথ্যা মামলার অভিযোগ তুলে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেছেন চট্টগ্রাম সরকারি হাজী মোহাম্মদ মহসিন কলেজের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল সাদেক। তিনি দাবি করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র তাদের ওপর হামলা ও হয়রানি চালিয়ে আসছে।সোমবার (৪ মে) দুপুরে নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন তিনি।সাদেক অভিযোগ করেন, মুনিরিয়া যুব তবলীগ কমিটির প্রধান মুনিরুল্লাহ ও তার অনুসারীরা গত ৯ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে নগরের বায়েজিদ থানার অক্সিজেন এলাকায় তাদের বাসায় হামলা চালায়। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও উল্টো তাকে বানোয়াট মামলায় গ্রেফতার করে বলে দাবি করেন তিনি।তার ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার সময় বাসা থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয় এবং পরিবারের নারী সদস্যদের হেনস্তা করা হয়। এ ঘটনায় ১৩ এপ্রিল থানায় অভিযোগ দিলেও এখনো কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে জানান তিনি।সংবাদ সম্মেলনে সাদেক আরও বলেন, তিনি ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর শাখার সাথী এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। তার বাবা মাওলানা জামাল হোসাইন জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলার শূরা ও কর্মপরিষদের সদস্য।তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক কারণে তার বাবাকে ১৩ বছর ৪ মাস চাকরি থেকে বরখাস্ত রাখা হয়। ২০১২ সালে রাউজান পৌরসভার একটি মসজিদের খতিবের দায়িত্ব থেকেও তাকে বিনা নোটিশে সরিয়ে দেওয়া হয়।লিখিত বক্তব্যে আরও অভিযোগ করা হয়, মুনিরুল্লাহর নেতৃত্বে একটি দল ২০২৪ সালের গত ৪ ডিসেম্বর কাগতিয়া মাইজপাড়া তালীমুল কুরআন মাদ্রাসা দারুল ইয়াতামা দখল করে। এছাড়া গত কয়েক বছরে এলাকার অন্তত পাঁচটি পুকুর ভরাট, ৩৪৯ শতক নাল জমি দখল এবং মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মুছার স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুরের ঘটনাতেও তারা জড়িত বলে দাবি করেন সাদেক।তিনি বলেন, বসতভিটা বিক্রি করতে অস্বীকৃতি জানানো এবং দখলবাজির প্রতিবাদ করায় তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। এমনকি তার প্রবাসী বড় ভাই আল-আমিন সাব্বিরকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে, যদিও ঘটনার সময় তিনি বিদেশে ছিলেন।সংবাদ সম্মেলনে সাদেক পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দখলকৃত মাদ্রাসা ও জমি উদ্ধার এবং দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। তিনি বলেন, প্রশাসনের সহযোগিতা না পেয়ে বিষয়টি আইজিপি ও চট্টগ্রাম পুলিশ সুপারের কাছেও জানানো হয়েছে।তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মুনিরুল্লাহ বা পুলিশের কোনো বক্তব্য জানা যায়নি।
সম্পাদক ও প্রকাশক
ফোরকান মাহমুদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
মাইকেল দাশ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত প্রতিদিনের চট্টগ্রাম