প্রিন্ট এর তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
||
রাঙামাটিতে সওজের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ : ভূমিদস্যুরা সকলেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত স্টাফ রিপোর্টার :: ভেদ ভেদী পশ্চিম মুসলিম পাড়া সমাজ উন্নয়ন কমিটির নাম ব্যবহার করে রাঙামাটি শহরের ভেদভেদী ফাষ্ট লাইন এলাকায় এবাদত খানা (মাদ্রাসার) নামে রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের সরকারি জমি জবর দখল করে গাছ কেটে, ষ্টাফদের থাকার কোয়ার্টার/ব্যারাক ঘর ভেঙ্গে দোকানঘর ও স্থাপনা নির্মাণ করছে ভূমিদস্যু একটি সিন্ডিকেট।সাধারণ ডায়েরি (জিডি) নং: ১৫৭৩ তারিখ : ২৯/১০/২০২৬ ইরেজি সূত্রে জানাযায়, সড়ক বিভাগের সার্ভেয়ার মোহাম্মদ আফজাল হোসাইন রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ কিভাগের পক্ষে রাঙামাটি কোতোয়ালি থানায় একটি জিডি করেন। এতে প্রাথমিকভাবে ভেদভেদীর মুসলিম পাড়ার মো. আলা উদ্দীন জয় (৩৫), মো. আবছার (৪০), জসিম খান, অন্ত দাশ ও মো. মিজানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এ কাজে এলাকার একটি সিন্ডিকেট জড়িত বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।জিডিতে উল্লেখ করা হয়, ভেদভেদী এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের ফাস্ট লাইন ওয়ার্কশপের অধীন সরকারি জমি কর্মচারীদের আবাসন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ওই জমির একাংশ দখল করে দোকানঘর ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। রাতের আঁধারে নির্মাণকাজ চালানোর অভিযোগও রয়েছে। গত ২৮ অক্টোবর রাতে সওজের স্টাফ কোয়ার্টারে ঢুকে কর্মচারীদের জন্য নির্মিত ব্যারাক ভেঙ্গে ফেলা হয়।উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রাহাত আলম স্বাক্ষরিত স্মারক নং: ৩৫. ০১. ৮৪০০. ৮৩২. ৩৮১ তারিখ : ২৬/১০/২০২৬ খ্রি. ভূমিদস্যু মো. আলা উদ্দীন জয়, মো. আফসার, জসিম খাঁন, অন্তু দাশ ও মো. মিজান এর বিরুদ্ধে রাঙামাটি জোন কমান্ডার, এসি ল্যান্ডসহ স্থানীয় প্রশাসনকে ভেদ ভেদী এলাকার কতিপয় অসাধু ব্যক্তিবর্গের যোগসাজশে কিছু ব্যক্তি কর্তৃক সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) অধীনস্থ সরকারি জমি জোর দখল পূর্বক দোকান ঘর/স্থাপনা নির্মাণ ও সরকারি ভূমি আত্মসাৎ বিষয়ে অভিযোগ আকার অফিসিয়াল পত্র প্রেরণ করেন। রাঙামাটি সড়ক বিভাগের উপ সহকারী প্রকৌশলী রনেন চাকমার অভিযোগ, গত ২৭ অক্টোবর-২০২৬ উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রাহাদের নেতৃত্বে অবৈধ দখলে বাধা দিতে গেলে কর্মকর্তাদের হুমকি ও হয়রানি করা হয়। সওজের কর্মচারীদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি মোবাইলে ধারণ করতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে রাঙামাটি কোতয়ালী থানায় ২৭/১০/২০২৬ ইংরেজি তারিখ উপ সহকারী প্রকৌশলী রনেন চাকমা বাদী হয়ে সরকারি ভূমি আত্মসাৎ এর অভিযোগ দাযের করেন। সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানাযায়, সড়ক ও জনপথ বিভাগের পানির পাম্প মেশিন ঘরের নাইট গার্ড পরবর্তিতে ভেদ ভেদী ফাষ্ট লাইন অফিস এবং ওয়ার্কশপ সড়ক ও জনপথ বিভাগের অবসর প্রাপ্ত নাইট গার্ড সাইদুল হক বাদশা দীর্ঘদিন ধরে টিভি সেন্টার, শিমুলতলী, রেডিও সেন্টার, ইকোলজিক্যাল পার্ক (পৌরসভার আর্বজনা ফেলার স্থান),সড়ক ও জনপথ বিভাগের মালামাল রাখার মজুদগার (সিএন্ডবি গোডাউন), লোকনাথ মন্দির এর পিছনে এবং তার পাশের এলাকা, ফাষ্ট লাইন সড়ক ও জনপথ বিভাগের ওয়ার্কশপের পিছনে জায়গা অবৈধভাবে দখল করে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।গত ০৮ মাস আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি সরকার গঠনের পর ভেদ ভেদী পশ্চিম মুসলিম পাড়ার বাদশা বনে গেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগের অবসর প্রাপ্ত নাইট গার্ড সাইদুল হক বাদশা। সাইদুল হক বাদশার ২ স্ত্রীর ঘরে সন্তান রয়েছে,বড় স্ত্রীর ঘরে প্রথম জন কণ্যা, ২য় জন মো. সোহাগ পেশায় ড্রাইভার (২০ সেপ্টেম্বর-২০২৪ সালে রাঙামাটিতে সংঘটিত পাহাড়ি-বাঙ্গালী দাঙ্গার পলাতক আসামী), ৩য় জন মো. আনোয়ার, ৪র্থ জন মো. মনা (এলাকায় চিহিৃত ইয়াবা বিক্রেতা), ৫ম জন মো. সোনা মিয়া,২য় স্ত্রীর ঘরে মো. মানিক (৬ নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা), পরের জন প্রতিবন্ধী কণ্যা, সবার ছোট সন্তান শিশু। ২০০২ সালে সাবেক ক্রীড়া সংগঠক ও বিএনপির জেলা কমিটির উপদেষ্টা মো. আব্দুল মতিন এর জায়গা পাহাড়া দেয়ার নাম করে সেই জায়গাতে ঘর নির্মাণ করে সাইদুল হক বাদশা তার সন্তান ও চিহিৃত ভূমিদস্যুদের নিয়ে মো. আব্দুল মতিনের জায়গা বিক্রয় করে দেয়, সেই মামলা চলমান, তার পর মুল সড়কের পাশে বিএনপির অফিস কাম ক্লাব ঘর নির্মাণের কথা বলে সেই ক্লাবে রাতের অন্ধকারে আগুন দিয়ে জায়গা খালি করে সেই জায়গা সাইদুল হক বাদশা বিক্রয় করে দেয়, একজন চাকমা ভদ্রলোকের কাছ থেকে স্কুলের জায়গা কথা বলে সেই জায়গাতে ১টি সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দিয়ে ১/২ শতক রেখে বাদ বাকি সব জায়গা সাইদুল হক বাদশা বিক্রয় করে দেয়, ইকোলজিক্যাল পার্কের উত্তরে সিএন্ডবি গোডাউনের পিছনে ছড়া পাড়ের জায়গা দখল করে বিক্রয় করে দেয়, সেই সময়ে পাহাড় কাটার অপরাধে সড়ক ও জনপথ বিভাগ সাইদুল হক বাদশা ও তার ভূমিদস্যু সন্তানদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন, রেডিও সেন্টারের গেইটের দক্ষিণ পাশে রিটানিং ওয়ালের ওপরে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম মহা সড়কের জনৈক চাকমা ভদ্র লোকের জায়গা জোরপূর্বক দখল করায় সাইদুল হক বাদশা ও তার ৪ সন্তানের বিরুদ্ধে মামলা চলমান আছে, কবির সওদাগরের জায়গা দখল করে বিক্রয় করে দেয় সাইদুল হক বাদশা, কাঠ ব্যবসায়ী আব্দুল মতিন এর জায়গা বিক্রয় করে দেয় সাইদুল হক বাদশা, বর্তমান সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা জবর দখল করে মাদ্রাসার বা এবাদত খানার নির্মানের কথা বলে ছোট-ছোট পিলার পুতে বিভিন্ন মানুষের কাছে সেই জায়গা বিক্রয় করছে এবং এবাদত খানা,মাদ্রাসা ও তৈয়বীয়া জামে মসজিদের নাম ভাঙ্গিয়ে সাইদুল হক বাদশা এবং সিন্ডিকেট ভূমিদস্যুরা সরকারি জায়গা বিক্রয়ের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। সাইদুল হক বাদশা ছিলেন একজন নাইট গার্ড সেই বাদশা এখন ৩টি পিকা আপ গাড়ির মালিক এবং কয়েক কোটি টাকার সম্পদের মালিক। রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের একটি জিডি অনুসন্ধানে যেন ; কেচো কুড়তে সাপ বের হয়ে এলো।রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের ভেদ ভেদী ফাষ্ট লাইন এলাকায় অবৈধভাবে সরকারী জায়গা দখলের বিষয়টি অনুসন্ধান কালিন এলাকায় ভূমিদস্যু হিসাবে যাদের নাম পাওয়া গেছে তারা হলেন : (১) সড়ক ও জনপথ বিভাগের পানির পাম্প মেশিন ঘরের নাইট গার্ড পরবর্তিতে ভেদ ভেদী ফাষ্ট লাইন অফিস এবং ওয়ার্কশপ সড়ক ও জনপথ বিভাগের অবসর প্রাপ্ত নাইট গার্ড সাইদুল হক বাদশা (৬৮), পিতা : মৃত আব্দুল সোবহান, ৬ নংওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও সভাপতি ভেদ ভেদী পশ্চিম মুসলিম পাড়া সমাজ উন্নয়ন কমিটি, সাং : ভেদ ভেদী পশ্চিম মুসলিম পাড়া, পো : রাঙামাটি-৪৫০০, থানা : কোতয়ালী, উপজেলা : সদর, জেলা : রাঙামাটি পার্বত্য জেলা। (২) মো. আফসার-৪০ (চা দোকানের নাস্তার কারিগর) ,পিতা : মৃত মোহাম্মদ হোসেন, সাবেক রাঙামাটি জেলা যুবদল সহ সংগঠনিক ও ৬নং ওয়ার্ড যুবদল সদস্য, সাং : ভেদ ভেদী পশ্চিম মুসলিম পাড়া, পো : রাঙামাটি-৪৫০০, থানা : কোতয়ালী, উপজেলা : সদর, জেলা : রাঙামাটি পার্বত্য জেলা। (৩) মো. আলা উদ্দীন জয় (৩৫), পিতা : মে. আবুল কাশেম, রাঙামাটি পৌর ছাত্র দল কমিটির সদস্য ও সাধারণ সম্পাদক ভেদ ভেদী পশ্চিম মুসলিম পাড়া সমাজ উন্নয়ন কমিটি, সাং: টিএন্ডটি এলাকা (কাদের ম্যাশনের পিছনে), পো : রাঙামাটি-৪৫০০, থানা : কোতয়ালী, উপজেলা : সদর, জেলা : রাঙামাটি পার্বত্য জেলা। (৪) জসিম খাঁ, পিতা : কাশেম খাঁ (নানিয়াচর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি,বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা), সাং : ভেদ ভেদী পশ্চিম মুসলিম পাড়া (লোকনাথ মন্দির এর পিছনে), পো : রাঙামাটি-৪৫০০, থানা : কোতয়ালী, উপজেলা : সদর, জেলা : রাঙামাটি পার্বত্য জেলা। (৫) মো. করিম (ভূমিদস্যু করিম), পিতা : ফয়েজ আহমদ, ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সহ সভাপতি ভেদ ভেদী পশ্চিম মুসলিম পাড়া সমাজ উন্নয়ন কমিটি, সাং : ভেদ ভেদী পশ্চিম মুসলিম পাড়া পো : রাঙামাটি-৪৫০০, থানা : কোতয়ালী, উপজেলা : সদর, জেলা : রাঙামাটি পার্বত্য জেলা। (৬) অনতোষ দাশ (মিস্ত্রী অন্ত দাশ) (৩৩), পিতা : বিশ্বনাথ দাশ, রাঙামাটি পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য, সাং : আরপি-২২১, স্বর্ণটিলা হিন্দু পাড়া,পো : রাঙামাটি-৪৫০০, থানা : কোতয়ালী, উপজেলা : সদর, জেলা : রাঙামাটি পার্বত্য জেলা। (৭) মো. মিজানুর রহমান, পিতা : মোস্তফা আহম্মদ,রাঙামাটি জেলা যুবদল নেতা, সাং: ইকোলজিক্যাল পার্ক,(ভেদ ভেদী পশ্চিম মুসলিম পাড়া), পো : রাঙামাটি-৪৫০০, থানা : কোতয়ালী, উপজেলা : সদর, জেলা : রাঙামাটি পার্বত্য জেলা প্রমূখ। সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গাতে থাকা শিশু গাছ, বেল গাছ ও কাঠাল গাছ কেটে জমির চারপাশে টিনের বেড়া দিয়ে ভেতরে সড়ক বিভাগের কর্মচারীদের থাকার ষ্টাফ কোয়ার্টার বা ব্যারাক ঘর ভেঙ্গে নতুনভাবে নির্মাণের কাজ চলছে। বাইরে মাদ্রাসার কাজ চলছে উল্লেখ করে সাইনবোর্ড টাঙানো আছে। সড়ক বিভাগের দাবি তাদের সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে দোকান নির্মাণ করে ঘরগুলো সালামির বিনিময়ে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে লাখ লাখ টাকা সংগ্রহ করেছে বাদশা সিন্ডিকেট। পশ্চিম মুসলিম পাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির জনৈক স্থানীয় মুরব্বি বলেন, অনতোষ দাশ (মিস্ত্রী অন্ত দাশ) কেন মসজিদ বা মদ্রাসা নির্মাণে কাজে যুক্ত রয়েছে? বিষয়টি ভালভাবে চিন্তা করলে তো থলের বিড়াল বের হয়ে আসবে।তিনি আরো বলেন, ভূমিদস্যু সাইদুল হক বাদশা এবং তার সিন্ডিকেট সড়ক বিভাগের, হ্যাচারি ও বেতার কেন্দ্রের জায়গা দখলের সঙ্গে সিন্ডিকেটটি সরাসরি জড়িত। স্থানীয় মুরব্বির দাবি, সিন্ডিকেটিতে বেশির ভাগ সদস্য বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত লোকজন। দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জায়গা দখল করছেন।এবিষয়ে ভেদ ভেদী পশ্চিম মুসলিম পাড়া সমাজ উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলা উদ্দীন জয় তাদের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেন। জয় বলেন, জায়গাটি সড়ক বিভাগের সরকারি জমি নয়। মাদ্রাসার নামে সব কাগজপত্র রয়েছে। তিনিই মাদ্রাসার সাইন বোর্ড লাগিয়েছেন। আলা উদ্দীন জয়ের দাবি, জায়গাটিতে অস্ট্রেলিয়ার একটি কোম্পানি কর্মীদের আবাসনের জন্য ভবন নির্মাণ করেছিল। সড়ক বিভাগ সেখানে কোনো আবাসন নির্মাণ করেনি। তবে ওই এলাকায় সড়ক বিভাগের মাত্র ১ দশমিক ৭৫ একর জমি রয়েছে বলেও জানান।এবিষয়ে রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, ভেদভেদী এলাকায় মসজিদের মাদ্রাসার নামে সরকারি জমি দখলের চেষ্টা ভূমিদস্যুরা অব্যহত রেখেছে। এ ঘটনায় ভূমিদস্যুরা সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মচারীদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। এর প্রতিকার চেয়ে কোতয়ালী থানায় জিডি করা হয়েছে, সেই জিডি তদন্তের জন্য আদালতের অনুমতি পাওয়া গেছে। তিনি জানান, এবিষয়ে রাঙামাটি সদর জোন কমান্ডার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে বিষয়টি জানানো হয়েছে। সবুজ চাকমা বলেন, আমি নিজে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপু বাবুকে অবহিত করেছি এবং অবৈধ স্থাপনার ছবি পাঠিয়েছি। জেলা বিএরপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাকিল সাহেবকেও বিষয়টি আমি নিজে অবহিত করেছি বলেন, রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী।এবিষয়ে রাঙামাটি কোতোয়ালি থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) এসআই (নিরস্ত্র) মো. আমজাদূর রহমান বলেন, সড়ক বিভাগের সরকারি জমি দখলের অভিযোগে জিডি হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য আদালত অনুমতি দিয়েছেন। তদন্ত কার্যক্রম আমরা শুরু করেছি।