প্রতিদিনের চট্টগ্রাম

মূল পাতা

রাজনীতি

করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ : হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি

করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ : হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি
করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ : হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি

দেশব্যাপী সরকার ঘোষিত খাল খনন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার শিলক খালের দুই কিলোমিটার খাল খনন কাজের শুভ উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সাংসদ বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী 

আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টায় নিজ হাতে মাটি কেটে শিলক ইউনিয়নের মরা খালে এ খননের উদ্বোধন করেন। 

পরে তিনি কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন 

বিএডিসি প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত উপজেলার ১০ নং পদুয়া ইউনিয়নের ত্রিপুরা সুন্দরী খালের ওপর নির্মিত বক্স কালভর্টের উদ্বোধন করেন।

রাতে ত্রিপুরা সুন্দরী কালভার্ট উদ্বোধন শেষে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বিএডিসি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন হুমাম কাদের চৌধুরী

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)র নির্বাহী প্রকৌশলী মোশারফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ও সহকারী প্রকৌশলী তমাল দাশের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি বলেন, 'কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নে এবং স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে প্রয়াত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। উনার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার ধারা অব্যাহত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ১৬ মার্চ বাংলাদেশের ৫৩টি জেলায় একযোগে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।'

তিনি আরও বলেন, রাঙ্গুনিয়ার প্রায় ৬০ ভাগ মানুষ এখনো কৃষক এবং মাটির উপর ভরসা করে জীবনযাপন করে। আলহামদুলিল্লাহ, এই খাল খনন প্রোগ্রামের মাধ্যমে উনি আমার কিছু কাজ সুবিধা করে দিয়েছে, যেটা আমি চিন্তা করেছিলাম নির্বাচনের আগে একাজে নামতে হবে, অনেক অফিসে অফিসে দৌড়াতে হবে, তাদেরকে গিয়ে বুঝাতে হবে যে,রাঙ্গুনিয়ার মধ্যে খাল খনন করা খুবই জরুরী। সে কাজ আমাকে আর করতে হচ্ছেনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে আজকে আমরা এই শিলক মরা খাল নতুন করে খনন করা হচ্ছে। যে সরাসরি গিয়ে ডং খালের সাথে কানেকশন পায়। 

তিনি বলেন, আপনারা অনেকেই বসে বসে আলাপ করেন, কাজগুলো দ্রুত হচ্ছে না কেন? আমি আপনাদের দেখাতে চাই, আমার নখের কালী একনো শুকায়নাই, তারেক রহমান সাহেব নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হয়েছে বেশীদিন হয়নি। কিন্তু এই বিশাল কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। এই কাজ দিয়ে আমরা বাংলাদেশের জনগণকে জানিয়ে দিতে চাই। আমরা খালি শ্লোগান দিইনা, মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, 'করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ' এই বিশ্বাস নিয়ে আগাচ্ছি, আশাকরি পাশে থাকবেন।

হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, দুই মাস আগে আপনাদের সামনে ঘন ঘন আসতাম, লম্বা লম্বা বক্তৃতা দিতাম। এই বক্তৃতার মাধ্যমে আপনাদের কাছে এসে হাত পেতে ভিক্ষা চেয়েছি। বলেছিলাম, আপনারা যদি নির্বাচিত করেন, যদি ভরসা রাখেন। তাহলে সামনের পাঁচ বছর কাজ করবো। আপনাদের কথা সাংসদে বলে আমি পাঁচ বছর আপনাদের জন্য কাজ করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, রাস্তা খারাপ এই কথা আমাকে বলতে হবেনা। নির্বাচনের সময় এমন কোন রাস্তা বাকী রাখিনাই, যেটা দিয়ে আমি হাটিনাই। প্রত্যোকটা ভাঙা রাস্তা আমি নিজে দেখে এসেছি। যেখানে যেখানে ব্রীজ হওয়ার কথা ছিলো, কোমড় পর্যন্ত পানি হেটে পাড় হয়ে দেখে এসেছি।

নিজ দলের নেতাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, যারা যারা নিজ এলাকা ও ইউনিয়নে নেতৃত্ব দিতে চাচ্ছেন, তাদেরকে আমি অনুরোধ করবো, আপনারা দায়িত্বপালন শুরু করে দেন। কারণ বক্তৃতা দিয়ে আর ভোট হবেনা। কাজের মাধ্যমে ভোট আসবে এবার। সামনে ইউনিয়ন নির্বাচন আসছে, এই নির্বাচনে আপনাদের কাজ যদি না দেখে, আপনাদেরকে কেউ ভোট দেবেনা। সেকারণে মাজা শক্ত করেন। কাজে নামতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রাঙ্গুনিয়ায় প্রথম বোধহয় ব্রীজ একটা বানানো হলো, যেখানে কাউকে চাঁদা দিতে হয় নাই, সময় অপচয় হয় নাই এবং সময়মতো ব্রীজ উদ্বোধন করতে পারলাম। এসম তিনি সকলে দোয়া চেয়ে বলেন, সামনের বার যখন এখানে আসবো, দোয়া করি গাড়ী চড়ে আসতে পারি। তাই শীঘ্রই  এই রাস্তার কাজ আমাদের ধরতে হবে। 

মিডিয়াকর্মীদের অবহিত করে তিনি বলেন, আপনারা কি জানেন, রাঙ্গুনিয়ায় ১শ' ভাগের মধ্যে কতভাগ রাস্তা পাকা হয়েছে? হিসাবে লেখা ২৭ ভাগ। বাস্তবে ২১ ভাগের উপরে হবেনা। আমার প্রশ্ন, এত বছর মন্ত্রী বসা ছিল, এ কি কাজ করলো। সতেরো বছর ধরে রাজত্ব করার পরে এই ব্রীজ কেন করতে পারলোনা।  

পদুয়াতে নতুন হাসপাতাল নির্মাণে ওয়াদা করে তিনি বলেন, আজকে নতুন করে ওয়াদা করে যাচ্ছি, রাঙ্গুনিয়ায় যখন ঢুকবো। আশাকরি নতুন কিছু কাজ নিয়ে এসে ঢুকবো। কারণ খালি হাতে আস্তে আস্তে আমার কলিজা ভেঙ্গে যাচ্ছে। খালি হাতে আর আসবোনা। পদুয়ায় একটি ৫০ শয্যার হেলথ কমপ্লেক্স আছে, ওটাকে ১০০ শয্যা করার আবেদন করেছি, ইনশাআল্লাহ হয়ে যাবে। তবে এখান থেকে ওখানে যেতে যেতে রুগী মারা যাবে। সেকারণে পদুয়াতে আরেকটি হাসপাতাল নির্মাণের আবেদন করে এসেছি। 

কাপ্তাই সড়ক চার লাইনে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, আমার জানামতে গত ২০০/২৫ বছর ধরে সকলে শুধু কাপ্তাই সড়ক ৪ লাইনে করার ওয়াদা করে আসছে। সামনের সাপ্তাহে উদ্বোধন করছি, এই সড়ককে চার লাইনে বানিয়ে ছাড়বো। তবে আপনাদের কাছে আমার একটা চাওয়া আছে, আপনার এলাকার মধ্যে যারা মাদক ব্যবসায় আছে, তাদেরকে আপনাদের ধরিয়ে দিতে হবে। আপনারা জানেন কারা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত, তাদের তালিকা করে যদি প্রশাসনকে দিতে ভয় পান। তাহলে আমাকে দেন, বাকি ব্যবস্থা আমি৷ নেবো। রাঙ্গুনিয়ার উন্নয়ন থেমে থাকবে,যদি আমরা সমাজকে ঠিক না করতে পারি। আর সমাজকে ধ্বংস করছে এই মাদক ব্যবসায়ীরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)র নির্বাহী প্রকৌশলী মোশারফ হোসেন ভূঁইয়ার বলেন, শিলক মরা খালের দুই কিলোমিটার এই খাল খননের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ লাখ টাকা।

আপনার মতামত লিখুন

প্রতিদিনের চট্টগ্রাম

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬


করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ : হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি

প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image



দেশব্যাপী সরকার ঘোষিত খাল খনন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার শিলক খালের দুই কিলোমিটার খাল খনন কাজের শুভ উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সাংসদ বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী 


আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টায় নিজ হাতে মাটি কেটে শিলক ইউনিয়নের মরা খালে এ খননের উদ্বোধন করেন। 


পরে তিনি কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন 

বিএডিসি প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত উপজেলার ১০ নং পদুয়া ইউনিয়নের ত্রিপুরা সুন্দরী খালের ওপর নির্মিত বক্স কালভর্টের উদ্বোধন করেন।


রাতে ত্রিপুরা সুন্দরী কালভার্ট উদ্বোধন শেষে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বিএডিসি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন হুমাম কাদের চৌধুরী


বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)র নির্বাহী প্রকৌশলী মোশারফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ও সহকারী প্রকৌশলী তমাল দাশের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি বলেন, 'কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নে এবং স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে প্রয়াত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। উনার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার ধারা অব্যাহত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ১৬ মার্চ বাংলাদেশের ৫৩টি জেলায় একযোগে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।'


তিনি আরও বলেন, রাঙ্গুনিয়ার প্রায় ৬০ ভাগ মানুষ এখনো কৃষক এবং মাটির উপর ভরসা করে জীবনযাপন করে। আলহামদুলিল্লাহ, এই খাল খনন প্রোগ্রামের মাধ্যমে উনি আমার কিছু কাজ সুবিধা করে দিয়েছে, যেটা আমি চিন্তা করেছিলাম নির্বাচনের আগে একাজে নামতে হবে, অনেক অফিসে অফিসে দৌড়াতে হবে, তাদেরকে গিয়ে বুঝাতে হবে যে,রাঙ্গুনিয়ার মধ্যে খাল খনন করা খুবই জরুরী। সে কাজ আমাকে আর করতে হচ্ছেনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে আজকে আমরা এই শিলক মরা খাল নতুন করে খনন করা হচ্ছে। যে সরাসরি গিয়ে ডং খালের সাথে কানেকশন পায়। 


তিনি বলেন, আপনারা অনেকেই বসে বসে আলাপ করেন, কাজগুলো দ্রুত হচ্ছে না কেন? আমি আপনাদের দেখাতে চাই, আমার নখের কালী একনো শুকায়নাই, তারেক রহমান সাহেব নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হয়েছে বেশীদিন হয়নি। কিন্তু এই বিশাল কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। এই কাজ দিয়ে আমরা বাংলাদেশের জনগণকে জানিয়ে দিতে চাই। আমরা খালি শ্লোগান দিইনা, মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, 'করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ' এই বিশ্বাস নিয়ে আগাচ্ছি, আশাকরি পাশে থাকবেন।


হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, দুই মাস আগে আপনাদের সামনে ঘন ঘন আসতাম, লম্বা লম্বা বক্তৃতা দিতাম। এই বক্তৃতার মাধ্যমে আপনাদের কাছে এসে হাত পেতে ভিক্ষা চেয়েছি। বলেছিলাম, আপনারা যদি নির্বাচিত করেন, যদি ভরসা রাখেন। তাহলে সামনের পাঁচ বছর কাজ করবো। আপনাদের কথা সাংসদে বলে আমি পাঁচ বছর আপনাদের জন্য কাজ করতে চাই।


তিনি আরও বলেন, রাস্তা খারাপ এই কথা আমাকে বলতে হবেনা। নির্বাচনের সময় এমন কোন রাস্তা বাকী রাখিনাই, যেটা দিয়ে আমি হাটিনাই। প্রত্যোকটা ভাঙা রাস্তা আমি নিজে দেখে এসেছি। যেখানে যেখানে ব্রীজ হওয়ার কথা ছিলো, কোমড় পর্যন্ত পানি হেটে পাড় হয়ে দেখে এসেছি।


নিজ দলের নেতাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, যারা যারা নিজ এলাকা ও ইউনিয়নে নেতৃত্ব দিতে চাচ্ছেন, তাদেরকে আমি অনুরোধ করবো, আপনারা দায়িত্বপালন শুরু করে দেন। কারণ বক্তৃতা দিয়ে আর ভোট হবেনা। কাজের মাধ্যমে ভোট আসবে এবার। সামনে ইউনিয়ন নির্বাচন আসছে, এই নির্বাচনে আপনাদের কাজ যদি না দেখে, আপনাদেরকে কেউ ভোট দেবেনা। সেকারণে মাজা শক্ত করেন। কাজে নামতে হবে।


তিনি আরও বলেন, রাঙ্গুনিয়ায় প্রথম বোধহয় ব্রীজ একটা বানানো হলো, যেখানে কাউকে চাঁদা দিতে হয় নাই, সময় অপচয় হয় নাই এবং সময়মতো ব্রীজ উদ্বোধন করতে পারলাম। এসম তিনি সকলে দোয়া চেয়ে বলেন, সামনের বার যখন এখানে আসবো, দোয়া করি গাড়ী চড়ে আসতে পারি। তাই শীঘ্রই  এই রাস্তার কাজ আমাদের ধরতে হবে। 


মিডিয়াকর্মীদের অবহিত করে তিনি বলেন, আপনারা কি জানেন, রাঙ্গুনিয়ায় ১শ' ভাগের মধ্যে কতভাগ রাস্তা পাকা হয়েছে? হিসাবে লেখা ২৭ ভাগ। বাস্তবে ২১ ভাগের উপরে হবেনা। আমার প্রশ্ন, এত বছর মন্ত্রী বসা ছিল, এ কি কাজ করলো। সতেরো বছর ধরে রাজত্ব করার পরে এই ব্রীজ কেন করতে পারলোনা।  


পদুয়াতে নতুন হাসপাতাল নির্মাণে ওয়াদা করে তিনি বলেন, আজকে নতুন করে ওয়াদা করে যাচ্ছি, রাঙ্গুনিয়ায় যখন ঢুকবো। আশাকরি নতুন কিছু কাজ নিয়ে এসে ঢুকবো। কারণ খালি হাতে আস্তে আস্তে আমার কলিজা ভেঙ্গে যাচ্ছে। খালি হাতে আর আসবোনা। পদুয়ায় একটি ৫০ শয্যার হেলথ কমপ্লেক্স আছে, ওটাকে ১০০ শয্যা করার আবেদন করেছি, ইনশাআল্লাহ হয়ে যাবে। তবে এখান থেকে ওখানে যেতে যেতে রুগী মারা যাবে। সেকারণে পদুয়াতে আরেকটি হাসপাতাল নির্মাণের আবেদন করে এসেছি। 


কাপ্তাই সড়ক চার লাইনে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, আমার জানামতে গত ২০০/২৫ বছর ধরে সকলে শুধু কাপ্তাই সড়ক ৪ লাইনে করার ওয়াদা করে আসছে। সামনের সাপ্তাহে উদ্বোধন করছি, এই সড়ককে চার লাইনে বানিয়ে ছাড়বো। তবে আপনাদের কাছে আমার একটা চাওয়া আছে, আপনার এলাকার মধ্যে যারা মাদক ব্যবসায় আছে, তাদেরকে আপনাদের ধরিয়ে দিতে হবে। আপনারা জানেন কারা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত, তাদের তালিকা করে যদি প্রশাসনকে দিতে ভয় পান। তাহলে আমাকে দেন, বাকি ব্যবস্থা আমি৷ নেবো। রাঙ্গুনিয়ার উন্নয়ন থেমে থাকবে,যদি আমরা সমাজকে ঠিক না করতে পারি। আর সমাজকে ধ্বংস করছে এই মাদক ব্যবসায়ীরা।


এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।


বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)র নির্বাহী প্রকৌশলী মোশারফ হোসেন ভূঁইয়ার বলেন, শিলক মরা খালের দুই কিলোমিটার এই খাল খননের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ লাখ টাকা।


প্রতিদিনের চট্টগ্রাম

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফোরকান মাহমুদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
মাইকেল দাশ

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত প্রতিদিনের চট্টগ্রাম