চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে মোটরসাইকেলে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় বাবা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে শাহ আমানত সেতুর প্রথম সিঁড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন হলেন আনোয়ারা উপজেলার চাতরী ইউনিয়নের সিংহরা গ্রামের বাসিন্দা দুর্গাপদ মল্লিক (৭০) ও তাঁর ছেলে বিধান মল্লিক (৪৭)। বিধান মল্লিক কর্ণফুলী উপজেলার দৌলতপুর বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। তাঁরা চট্টগ্রাম নগরের পাথরঘাটা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকাল আটটার দিকে একটি পিকআপ ভ্যান ও মোটরসাইকেল নতুন সেতু এলাকা থেকে মইজ্জ্যারটেকের দিকে যাচ্ছিল। শাহ আমানত সেতুর প্রথম সিঁড়ি এলাকায় পৌঁছালে দুটি যানবাহনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা দুর্গাপদ মল্লিক ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় মোটরসাইকেলচালক বিধান মল্লিককে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মইজ্জ্যারটেক ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ আবু সাঈদ বাকের বলেন, সেতুর প্রথম সিঁড়ি এলাকায় পিকআপ ভ্যান ও মোটরসাইকেলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুজন নিহত হন। দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জামাল উদ্দীন বলেন, সেতু থেকে নামার সময় পিকআপটি মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলের আরোহীরা ছিটকে পড়ে যান। দুর্গাপদ মল্লিক পিকআপের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
নিহতদের স্বজন বাবলা মল্লিক বলেন, বিধান মল্লিক মোটরসাইকেলে করে তাঁর বাবাকে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দিতে যাচ্ছিলেন। বাবাকে পৌঁছে দিয়ে তাঁর স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল। পথে দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলের প্রাণহানি ঘটে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দীন তালুকদার বলেন, আহত অবস্থায় বিধান মল্লিককে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে তাঁর বাবা দুর্গাপদ মল্লিকের মরদেহও হাসপাতালে আনা হয়। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে সোমবার সকালে ফটিকছড়ির আমতল এলাকায় চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কে বিআরটিসি বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা মুহাম্মদ শাহজাহান (৪৮) ও ছেলে মুহাম্মদ আরিফ (১৮) মারা যায়। তারা উপজেলার উত্তর পাইন্দং এলাকার বাসিন্দা। এঘটনায় ওই বাসটিতে আগুন দেয় বিক্ষুদ্ধ জনতা।
.png)
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে মোটরসাইকেলে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় বাবা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে শাহ আমানত সেতুর প্রথম সিঁড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন হলেন আনোয়ারা উপজেলার চাতরী ইউনিয়নের সিংহরা গ্রামের বাসিন্দা দুর্গাপদ মল্লিক (৭০) ও তাঁর ছেলে বিধান মল্লিক (৪৭)। বিধান মল্লিক কর্ণফুলী উপজেলার দৌলতপুর বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। তাঁরা চট্টগ্রাম নগরের পাথরঘাটা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকাল আটটার দিকে একটি পিকআপ ভ্যান ও মোটরসাইকেল নতুন সেতু এলাকা থেকে মইজ্জ্যারটেকের দিকে যাচ্ছিল। শাহ আমানত সেতুর প্রথম সিঁড়ি এলাকায় পৌঁছালে দুটি যানবাহনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা দুর্গাপদ মল্লিক ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় মোটরসাইকেলচালক বিধান মল্লিককে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মইজ্জ্যারটেক ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ আবু সাঈদ বাকের বলেন, সেতুর প্রথম সিঁড়ি এলাকায় পিকআপ ভ্যান ও মোটরসাইকেলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুজন নিহত হন। দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জামাল উদ্দীন বলেন, সেতু থেকে নামার সময় পিকআপটি মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলের আরোহীরা ছিটকে পড়ে যান। দুর্গাপদ মল্লিক পিকআপের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
নিহতদের স্বজন বাবলা মল্লিক বলেন, বিধান মল্লিক মোটরসাইকেলে করে তাঁর বাবাকে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দিতে যাচ্ছিলেন। বাবাকে পৌঁছে দিয়ে তাঁর স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল। পথে দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলের প্রাণহানি ঘটে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দীন তালুকদার বলেন, আহত অবস্থায় বিধান মল্লিককে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে তাঁর বাবা দুর্গাপদ মল্লিকের মরদেহও হাসপাতালে আনা হয়। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে সোমবার সকালে ফটিকছড়ির আমতল এলাকায় চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কে বিআরটিসি বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা মুহাম্মদ শাহজাহান (৪৮) ও ছেলে মুহাম্মদ আরিফ (১৮) মারা যায়। তারা উপজেলার উত্তর পাইন্দং এলাকার বাসিন্দা। এঘটনায় ওই বাসটিতে আগুন দেয় বিক্ষুদ্ধ জনতা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন