দুঃসময়ে পা হারিয়েও থামেননি সাইফুল, এবার কাউন্সিলর নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা
চট্টগ্রাম নগরের ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর এলাকায় ত্যাগী ও সাহসী রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে পরিচিত সাইফুল ইসলাম সাইফ এবার কাউন্সিলর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকতে গিয়ে জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান অংশ—একটি পা হারিয়েও তিনি থেমে যাননি। বরং মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই চালিয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের কাছে তিনি হয়ে উঠেছেন অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মুখ।স্থানীয়দের মতে, সুখে-দুঃখে সবসময় মানুষের পাশে থাকায় তরুণ সমাজ ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে তাঁর ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হলেও কখনও প্রতিশোধের রাজনীতিতে জড়াননি সাইফুল ইসলাম সাইফ।নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে সাইফ বলেন, “আমি পদের জন্য রাজনীতি করিনি, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নিজের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান অংশ হারিয়েছি। ষোলশহরের মানুষ বিগত দিনের দুঃসময়ে যেভাবে আমার পাশে ছিলেন, আমিও তাঁদের ঋণ শোধ করতে চাই। এলাকার উন্নয়ন, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতেই আমি কাউন্সিলর পদে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”তিনি আরও বলেন, “আশা করি, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণ আমার ত্যাগের মূল্যায়ন করবেন।”সাইফের নির্বাচনী ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় সাধারণ ভোটার ও নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তাঁর সমর্থনে প্রচারণা শুরু হয়েছে।৭ নম্বর ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা বলেন, “সাইফুল ইসলাম সাইফ অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যক্তি। তিনি এলাকার সুখে-অসুখে সবসময় পাশে থাকেন। বারবার নিজে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও প্রতিশোধের রাজনীতি কখনও করেননি।”এলাকার দুই শিক্ষক জানান, “আমরা এই এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা নই। এরপরও সবসময় সাইফুল ইসলাম সাইফের কথা শুনি। তিনি মানুষকে সহযোগিতা করেন এবং বিপদে দৌড়ে আসেন। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি অনেক জনপ্রিয়।”ছাত্রদল নেতা মাহিদুল ইসলাম মাহিদ বলেন, “সাইফুল ইসলাম সাইফ না থাকলে বায়েজিদ এলাকায় ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা নানা হয়রানির শিকার হতো। তিনি একপ্রকার আমাদের আগলে রেখেছেন। আমরা তাকে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই। তিনি তারুণ্যের প্রতীক, সমাজসেবী ও ক্রীড়াপ্রেমী একজন মানুষ।” (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)