প্রবাসে বসবাসরত কক্সবাজারবাসীর মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র উদ্যোগে এক আনন্দঘন ঈদ পুনর্মিলনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পূর্ব লন্ডনের Bernie Community Centre কমিউনিটি হাবের একটি হলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী কক্সবাজারবাসী, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র নবগঠিত এক্সিকিউটিভ কমিটির সভাপতি ফরিদুল আলম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র ট্রাস্টি ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন, ব্যারিস্টার আবুল মুনছুর শাহজাহান, সৈয়দ ফিরোজ গনি, জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘চাটগাইয়া গফ’-এর উপস্থাপক ও TV24Bangla-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, মো. সেলিম হোসাইন এবং মো. জাগলুল হায়াত চৌধুরী।
এসময় বক্তারা কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা বলেন, প্রবাসে বসবাস করেও নিজেদের শেকড়, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করে তোলার ক্ষেত্রে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল নতুন প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণ। শিশু-কিশোররা কোরবানির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান ও কবিতা আবৃত্তি করে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্টিয়ারিং কমিটির বর্তমান চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ শফিউল্লাহ, ব্যারিস্টার নুরুল গাফ্ফার, ব্যারিস্টার সারওয়ার কামাল, মোহাম্মদ আজাদ, মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, ব্যারিস্টার প্রশান্ত ভোষণ বড়ুয়া, মোহাম্মদ কায়সার, মাওলানা মোহাম্মদ জুনাইদ, ব্যারিস্টার বেলালসহ নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন স্টিয়ারিং কমিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. সাহেদ চৌধুরী।
সবশেষে কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র সভাপতি ফরিদুল আলম উপস্থিত সকল অতিথি, শুভানুধ্যায়ী ও আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানটি প্রবাসী কক্সবাজারবাসীর মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, ঐক্য ও সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উপস্থিত অতিথিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
.png)
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
প্রবাসে বসবাসরত কক্সবাজারবাসীর মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র উদ্যোগে এক আনন্দঘন ঈদ পুনর্মিলনী ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পূর্ব লন্ডনের Bernie Community Centre কমিউনিটি হাবের একটি হলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী কক্সবাজারবাসী, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র নবগঠিত এক্সিকিউটিভ কমিটির সভাপতি ফরিদুল আলম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র ট্রাস্টি ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন, ব্যারিস্টার আবুল মুনছুর শাহজাহান, সৈয়দ ফিরোজ গনি, জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘চাটগাইয়া গফ’-এর উপস্থাপক ও TV24Bangla-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, মো. সেলিম হোসাইন এবং মো. জাগলুল হায়াত চৌধুরী।
এসময় বক্তারা কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা বলেন, প্রবাসে বসবাস করেও নিজেদের শেকড়, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করে তোলার ক্ষেত্রে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল নতুন প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণ। শিশু-কিশোররা কোরবানির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান ও কবিতা আবৃত্তি করে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্টিয়ারিং কমিটির বর্তমান চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ শফিউল্লাহ, ব্যারিস্টার নুরুল গাফ্ফার, ব্যারিস্টার সারওয়ার কামাল, মোহাম্মদ আজাদ, মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, ব্যারিস্টার প্রশান্ত ভোষণ বড়ুয়া, মোহাম্মদ কায়সার, মাওলানা মোহাম্মদ জুনাইদ, ব্যারিস্টার বেলালসহ নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন স্টিয়ারিং কমিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. সাহেদ চৌধুরী।
সবশেষে কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র সভাপতি ফরিদুল আলম উপস্থিত সকল অতিথি, শুভানুধ্যায়ী ও আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানটি প্রবাসী কক্সবাজারবাসীর মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, ঐক্য ও সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উপস্থিত অতিথিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন