চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মাদক কেনাবেচার সময় ইয়াবা ও গাঁজাসহ বাবা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৪৩টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (২৪ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফটিকছড়ি পৌরসভার বিবিরহাট সদরের সানমুন ক্লাব–সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আজম ও তাঁর ছেলে ফাহিম।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফটিকছড়ি থানা পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে মাদক কেনাবেচার সময় হাতেনাতে বাবা-ছেলেকে আটক করা হয়। তাঁদের দেহ তল্লাশি করে ৪৩টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বিবিরহাটসহ ফটিকছড়ির বিভিন্ন এলাকায় গোপনে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে এলাকায় একটি মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে।
ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বৃহস্পতিবার সকালে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
.png)
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মাদক কেনাবেচার সময় ইয়াবা ও গাঁজাসহ বাবা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৪৩টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (২৪ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফটিকছড়ি পৌরসভার বিবিরহাট সদরের সানমুন ক্লাব–সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আজম ও তাঁর ছেলে ফাহিম।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফটিকছড়ি থানা পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে মাদক কেনাবেচার সময় হাতেনাতে বাবা-ছেলেকে আটক করা হয়। তাঁদের দেহ তল্লাশি করে ৪৩টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বিবিরহাটসহ ফটিকছড়ির বিভিন্ন এলাকায় গোপনে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে এলাকায় একটি মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে।
ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বৃহস্পতিবার সকালে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন