চট্টগ্রামের ইপিজেড-সল্টগোলা ক্রসিং এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসনে নয়ারহাট খালে স্লুইসগেট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি আপনাদের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে নয়ারহাট খালে স্লুইসগেট নির্মাণ করে দেব। তবে আপনাদেরও আমাকে একটি প্রতিশ্রুতি দিতে হবে—যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা যাবে না, খাল-নালা দখল করে কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না।”
বুধবার নয়ারহাট খাল ও ইপিজেড-সল্টগোলা ক্রসিংসংলগ্ন এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
সিডিএ সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম মহানগরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় নয়ারহাট খালের সংস্কারকাজ আগেই সম্পন্ন করা হয়েছিল। তবে খালের মুখে স্লুইসগেট না থাকায় জোয়ারের সময় সমুদ্রের পানি খালে প্রবেশ করে এবং বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হয়। ফলে হালিশহর, ইপিজেড ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার সমস্যা রয়ে গেছে।
এর আগে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এ এলাকায় স্লুইসগেট নির্মাণের পরিকল্পনা নিলেও বিভিন্ন জটিলতায় তা বাস্তবায়ন হয়নি।
পরিদর্শন শেষে সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সংসদীয় এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ নিরসনে প্রকল্পটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণ ও ব্যবহারসংক্রান্ত বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের দ্রুত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়ন করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
.png)
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামের ইপিজেড-সল্টগোলা ক্রসিং এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসনে নয়ারহাট খালে স্লুইসগেট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি আপনাদের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে নয়ারহাট খালে স্লুইসগেট নির্মাণ করে দেব। তবে আপনাদেরও আমাকে একটি প্রতিশ্রুতি দিতে হবে—যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা যাবে না, খাল-নালা দখল করে কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না।”
বুধবার নয়ারহাট খাল ও ইপিজেড-সল্টগোলা ক্রসিংসংলগ্ন এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
সিডিএ সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম মহানগরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় নয়ারহাট খালের সংস্কারকাজ আগেই সম্পন্ন করা হয়েছিল। তবে খালের মুখে স্লুইসগেট না থাকায় জোয়ারের সময় সমুদ্রের পানি খালে প্রবেশ করে এবং বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হয়। ফলে হালিশহর, ইপিজেড ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার সমস্যা রয়ে গেছে।
এর আগে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এ এলাকায় স্লুইসগেট নির্মাণের পরিকল্পনা নিলেও বিভিন্ন জটিলতায় তা বাস্তবায়ন হয়নি।
পরিদর্শন শেষে সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সংসদীয় এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ নিরসনে প্রকল্পটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণ ও ব্যবহারসংক্রান্ত বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের দ্রুত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়ন করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
.png)
আপনার মতামত লিখুন