চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার আওতাধীন ভূজপুরকে উপজেলা হিসেবে অনুমোদন দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর।
শনিবার (৪ জুলাই) ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের বঞ্চনার পর ভূজপুরবাসীর ন্যায্য দাবি পূরণ হওয়ায় তিনি মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।
আমীরে হেফাজত বলেন, “ভূজপুরের মানুষ বিএনপির জন্য বেশি কষ্ট করেছে। ভূজপুরে উপজেলা দেওয়ায় আমি প্রধানমন্ত্রীকে বেশি শোকরিয়া আদায় করতেছি। আমি শুনেছি, ভূজপুর থানা দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আর উপজেলা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।”
তিনি নবগঠিত উপজেলার সদর দপ্তরও ভূজপুরে স্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এটি ভূজপুরবাসীর ন্যায্য পাওনা এবং এ দাবির প্রতি সরকার ইতিবাচক সাড়া দেবে বলে তিনি আশা করেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের মাধ্যমে ভূজপুরবাসীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ জন্য তিনি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমীর আল্লামা মুফতি মাহমুদ হাসান, মাওলানা আইয়ুব বাবুনগরী, মাওলানা জুনাইদ বিন জালাল, হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের প্রতিনিধি মাওলানা শামসুল আলম, আবুল খায়ের সওদাগর, মাওলানা আবু তালেব, মাওলানা নিজাম উদ্দিন, মাওলানা আজগর সালেহী, মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ আমিনী, নারায়ণহাট ইউনিয়নের প্রতিনিধি মুফতি মামুন বশর ভূঁইয়া, মাওলানা লোকমান হোসেন, মাওলানা তারেকুল ইসলাম, মাওলানা ইয়াছিন, হাফেজ হোছাইন, হাফেজ শহিদুল্লাহসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
.png)
রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার আওতাধীন ভূজপুরকে উপজেলা হিসেবে অনুমোদন দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর।
শনিবার (৪ জুলাই) ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের বঞ্চনার পর ভূজপুরবাসীর ন্যায্য দাবি পূরণ হওয়ায় তিনি মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।
আমীরে হেফাজত বলেন, “ভূজপুরের মানুষ বিএনপির জন্য বেশি কষ্ট করেছে। ভূজপুরে উপজেলা দেওয়ায় আমি প্রধানমন্ত্রীকে বেশি শোকরিয়া আদায় করতেছি। আমি শুনেছি, ভূজপুর থানা দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আর উপজেলা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।”
তিনি নবগঠিত উপজেলার সদর দপ্তরও ভূজপুরে স্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এটি ভূজপুরবাসীর ন্যায্য পাওনা এবং এ দাবির প্রতি সরকার ইতিবাচক সাড়া দেবে বলে তিনি আশা করেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের মাধ্যমে ভূজপুরবাসীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ জন্য তিনি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমীর আল্লামা মুফতি মাহমুদ হাসান, মাওলানা আইয়ুব বাবুনগরী, মাওলানা জুনাইদ বিন জালাল, হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের প্রতিনিধি মাওলানা শামসুল আলম, আবুল খায়ের সওদাগর, মাওলানা আবু তালেব, মাওলানা নিজাম উদ্দিন, মাওলানা আজগর সালেহী, মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ আমিনী, নারায়ণহাট ইউনিয়নের প্রতিনিধি মুফতি মামুন বশর ভূঁইয়া, মাওলানা লোকমান হোসেন, মাওলানা তারেকুল ইসলাম, মাওলানা ইয়াছিন, হাফেজ হোছাইন, হাফেজ শহিদুল্লাহসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
.png)
আপনার মতামত লিখুন