প্রতিদিনের চট্টগ্রাম

মূল পাতা

রাজস্থলী

রাজস্থলীতে ৫ কিলোমিটার মাটির রাস্তা বেহাল, ১০ গ্রামের মানুষের চরম দুর্ভোগ

রাজস্থলীতে ৫ কিলোমিটার মাটির রাস্তা বেহাল, ১০ গ্রামের মানুষের চরম দুর্ভোগ
রাজস্থলীতে ৫ কিলোমিটার মাটির রাস্তা বেহাল, ১০ গ্রামের মানুষের চরম দুর্ভোগ।

রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার ১ নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের নোয়াপাড়া ব্রিজ থেকে কুইক্যাছড়ি, ধনুছড়ি ও তালুকদার পাড়া পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের কাঁচা রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ফলে ১০টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি মানুষকে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

​সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নোয়াপাড়া থেকে মদন কারবারি পাড়া, কুইক্যাছড়ি, ধনুছড়ি, আমতলী ও আড়াছড়ি পাড়া পর্যন্ত পুরো রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে গভীর গর্ত। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে সিএনজি, মোটরবাইক ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। দুর্ঘটনা এড়াতে অনেক জায়গায় পথচারীদের হেঁটে চলাচল করতে হচ্ছে। রাতের বেলা এই দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ রূপ নেয়।

​স্থানীয় অটোরিকশাচালক চিংসাপ্রু খিয়াং জানান, “দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা থাকা এই রাস্তায় যাত্রী নিয়ে চলাচল করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এটি পাকা করা হলে সবার জন্য উপকার হতো।” কুইক্যাছড়ি পাড়ার এনজিও কর্মী জনি খিয়াং বলেন, “সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটু সমান কাদা জমে। রাস্তাটি পাকা হলে স্থানীয় কৃষকেরা তাদের ধান, চাল ও আলু সহজে রাজস্থলী, ইসলামপুর ও বাঙ্গালহালিয়া বাজারে নিয়ে বিক্রি করতে পারতেন।”

​এ বিষয়ে রাজস্থলী উপজেলার ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান জানান, রাস্তাটির একাংশ সামান্য পাকা করা হলেও সিংহভাগই কাঁচা। দ্রু‌ত সংস্কার বা উন্নয়ন করা না গেলে ভবিষ্যতে চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

১ নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবার্ট ত্রিপুরা বলেন, এটা এলজি ইডি বিভাগের, তাই প্রকৌশলীর সাথে বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে আলাপ আলোচনা করে সংস্কার করা ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

প্রতিদিনের চট্টগ্রাম

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


রাজস্থলীতে ৫ কিলোমিটার মাটির রাস্তা বেহাল, ১০ গ্রামের মানুষের চরম দুর্ভোগ

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image


রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার ১ নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের নোয়াপাড়া ব্রিজ থেকে কুইক্যাছড়ি, ধনুছড়ি ও তালুকদার পাড়া পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের কাঁচা রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ফলে ১০টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি মানুষকে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

​সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নোয়াপাড়া থেকে মদন কারবারি পাড়া, কুইক্যাছড়ি, ধনুছড়ি, আমতলী ও আড়াছড়ি পাড়া পর্যন্ত পুরো রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে গভীর গর্ত। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে সিএনজি, মোটরবাইক ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। দুর্ঘটনা এড়াতে অনেক জায়গায় পথচারীদের হেঁটে চলাচল করতে হচ্ছে। রাতের বেলা এই দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ রূপ নেয়।

​স্থানীয় অটোরিকশাচালক চিংসাপ্রু খিয়াং জানান, “দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা থাকা এই রাস্তায় যাত্রী নিয়ে চলাচল করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এটি পাকা করা হলে সবার জন্য উপকার হতো।” কুইক্যাছড়ি পাড়ার এনজিও কর্মী জনি খিয়াং বলেন, “সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটু সমান কাদা জমে। রাস্তাটি পাকা হলে স্থানীয় কৃষকেরা তাদের ধান, চাল ও আলু সহজে রাজস্থলী, ইসলামপুর ও বাঙ্গালহালিয়া বাজারে নিয়ে বিক্রি করতে পারতেন।”

​এ বিষয়ে রাজস্থলী উপজেলার ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান জানান, রাস্তাটির একাংশ সামান্য পাকা করা হলেও সিংহভাগই কাঁচা। দ্রু‌ত সংস্কার বা উন্নয়ন করা না গেলে ভবিষ্যতে চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

১ নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবার্ট ত্রিপুরা বলেন, এটা এলজি ইডি বিভাগের, তাই প্রকৌশলীর সাথে বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে আলাপ আলোচনা করে সংস্কার করা ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


প্রতিদিনের চট্টগ্রাম

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফোরকান মাহমুদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
মাইকেল দাশ

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত প্রতিদিনের চট্টগ্রাম