চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ডাবুয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে কথিত যুবদলকর্মী আমান উল্লাহর ছুরিকাঘাতে দুই যুবক আহত হয়েছেন। জানা যায়, ৩১মে রবিবার সকাল ১১টার দিকে পশ্চিম ডাবুয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পরই এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শত শত মানুষ সড়কে নেমে বিক্ষোভ করে।
ছুরিকাঘাতে আহতরা হলেন, ডাবুয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের হাদা গাজীর বাড়ির নুরুল আবছারের ছেলে মো. হাসান (২০), একই এলাকার হাড়ি চান চৌধুরীর বাড়ির মরহুম কামালের ছেলে হাবিবুর রহমান সিফাত (২০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জের ধরে আমান উল্লাহ নামের এক যুবক ধারালো অস্ত্র নিয়ে সিফাত ও হাসানের ওপর হামলা চালান। এতে দুজনই গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করতে তাৎক্ষণিক ছুটে যান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপি নেতা মোঃ কামাল কামাল মিয়া, ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শোয়াইব, ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল মন্নান, মোঃ কামাল উদ্দিনসহ যুবদল ও ছাত্রদলের একটি প্রতিনিধি দল। পরবর্তীতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসে রাউজান থানার পুলিশ। তাঁরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
বিএনপি নেতা কামাল মিয়াবলেন, ঘটনার সাথে জড়িত ও আহতরা একই এলাকার মানুষ। উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে লোকজনকে শান্ত থাকার আহবান করেছি। রাউজানের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর নির্দেশনায় এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। অভিযুক্ত আমান উল্লাহর পিতা শাহা আলম বলেন, আমার ছেলের সাথে কি ঘটনা ঘটেছে আমি তা জানি না। যেই কিরিচ দিয়ে কুপিয়েছে সেটা কোথায় জানি না। ঘটনাস্থলে আসা রাউজান থানা পুলিশের এস আই রাজন বলেন, কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত করার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। উত্তেজিত জনতাকে সামলাতে আমরা কাজ করছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। আমরা আশ্বস্ত করেছি পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযুক্তকে আইনি প্রক্রিয়ায় শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
.png)
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ডাবুয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে কথিত যুবদলকর্মী আমান উল্লাহর ছুরিকাঘাতে দুই যুবক আহত হয়েছেন। জানা যায়, ৩১মে রবিবার সকাল ১১টার দিকে পশ্চিম ডাবুয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পরই এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শত শত মানুষ সড়কে নেমে বিক্ষোভ করে।
ছুরিকাঘাতে আহতরা হলেন, ডাবুয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের হাদা গাজীর বাড়ির নুরুল আবছারের ছেলে মো. হাসান (২০), একই এলাকার হাড়ি চান চৌধুরীর বাড়ির মরহুম কামালের ছেলে হাবিবুর রহমান সিফাত (২০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জের ধরে আমান উল্লাহ নামের এক যুবক ধারালো অস্ত্র নিয়ে সিফাত ও হাসানের ওপর হামলা চালান। এতে দুজনই গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করতে তাৎক্ষণিক ছুটে যান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপি নেতা মোঃ কামাল কামাল মিয়া, ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শোয়াইব, ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল মন্নান, মোঃ কামাল উদ্দিনসহ যুবদল ও ছাত্রদলের একটি প্রতিনিধি দল। পরবর্তীতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসে রাউজান থানার পুলিশ। তাঁরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
বিএনপি নেতা কামাল মিয়াবলেন, ঘটনার সাথে জড়িত ও আহতরা একই এলাকার মানুষ। উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে লোকজনকে শান্ত থাকার আহবান করেছি। রাউজানের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর নির্দেশনায় এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। অভিযুক্ত আমান উল্লাহর পিতা শাহা আলম বলেন, আমার ছেলের সাথে কি ঘটনা ঘটেছে আমি তা জানি না। যেই কিরিচ দিয়ে কুপিয়েছে সেটা কোথায় জানি না। ঘটনাস্থলে আসা রাউজান থানা পুলিশের এস আই রাজন বলেন, কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত করার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। উত্তেজিত জনতাকে সামলাতে আমরা কাজ করছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। আমরা আশ্বস্ত করেছি পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযুক্তকে আইনি প্রক্রিয়ায় শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন