সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় বিএনপির উদ্যোগে জমকালো আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে দুবাইয়ের স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ইউএই কেন্দ্রীয় বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক হাজী শরাফত আলীর সভাপতিত্বে শেখ শহীদুল হক ও নুরুন্নবী ভূঁইয়ার যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী বাবুল বলেন, বিগত ১৭ বছরের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রিয় নেতা তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে রাজপথে লড়াই-সংগ্রাম করেছে। দলের প্রতিটি সৈনিক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, মামলা-হামলার শিকার হয়েও আন্দোলন চালিয়ে গেছে এবং সফল হয়েছে। গত জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে বাংলাদেশের মানুষ আবার গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, জিয়া পরিবারের সুযোগ্য উত্তরসূরি ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বেই এই বিজয় সম্ভব হয়েছে। আগামীর বাংলাদেশ হবে আরও সমৃদ্ধ, যার নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইউএই বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সিরাজুল ইসলাম নওয়াব। এছাড়া বিশেষ অতিথি ও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাহিদুল ইসলাম, সারোয়ার আলম ভূট্টো, দুবাই বিএনপির সহ-সভাপতি জানে আলম, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন বাবলু এবং মহিলা দলের নেত্রী রাজিয়া বেগম আমেনাসহ আমিরাতের সাতটি প্রদেশ থেকে আগত বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রবাসী তৃণমূল নেতারা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রবাসে দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। কেন্দ্রীয় নেতাদের উচিত প্রবাসের এই তৃণমূল কর্মীদের খোঁজখবর রাখা। তৃণমূল কর্মীরা দলের কাছে বড় কিছু চায় না, শুধু মূল্যায়ন ও একটু সান্ত্বনা চায়। ক্ষমতার সুসময়ে যদি তৃণমূলকে ভুলে যাওয়া হয়, তবে দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোর কর্মী খুঁজে পাওয়া যাবে না।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে।
.png)
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় বিএনপির উদ্যোগে জমকালো আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে দুবাইয়ের স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ইউএই কেন্দ্রীয় বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক হাজী শরাফত আলীর সভাপতিত্বে শেখ শহীদুল হক ও নুরুন্নবী ভূঁইয়ার যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী বাবুল বলেন, বিগত ১৭ বছরের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রিয় নেতা তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে রাজপথে লড়াই-সংগ্রাম করেছে। দলের প্রতিটি সৈনিক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, মামলা-হামলার শিকার হয়েও আন্দোলন চালিয়ে গেছে এবং সফল হয়েছে। গত জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে বাংলাদেশের মানুষ আবার গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, জিয়া পরিবারের সুযোগ্য উত্তরসূরি ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বেই এই বিজয় সম্ভব হয়েছে। আগামীর বাংলাদেশ হবে আরও সমৃদ্ধ, যার নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইউএই বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সিরাজুল ইসলাম নওয়াব। এছাড়া বিশেষ অতিথি ও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাহিদুল ইসলাম, সারোয়ার আলম ভূট্টো, দুবাই বিএনপির সহ-সভাপতি জানে আলম, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন বাবলু এবং মহিলা দলের নেত্রী রাজিয়া বেগম আমেনাসহ আমিরাতের সাতটি প্রদেশ থেকে আগত বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রবাসী তৃণমূল নেতারা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রবাসে দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। কেন্দ্রীয় নেতাদের উচিত প্রবাসের এই তৃণমূল কর্মীদের খোঁজখবর রাখা। তৃণমূল কর্মীরা দলের কাছে বড় কিছু চায় না, শুধু মূল্যায়ন ও একটু সান্ত্বনা চায়। ক্ষমতার সুসময়ে যদি তৃণমূলকে ভুলে যাওয়া হয়, তবে দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোর কর্মী খুঁজে পাওয়া যাবে না।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন