ফটিকছড়ির সুন্দরপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট ছিলোনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের ভোটকেন্দ্রটি সরিয়ে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের আজিমপুর কল্লোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেওয়ার উদ্যোগের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ছোট ছিলোনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেন তাঁরা।
এলাকাবাসীর দাবি, ছোট ছিলোনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ওয়ার্ডের মাঝামাঝি এবং ভোটারদের জন্য সুবিধাজনক স্থানে। প্রায় ৪০ বছর ধরে সেখানে ভোট গ্রহণ হয়ে আসছে। তাই কেন্দ্রটি আগের স্থানেই বহাল রাখতে হবে।
এলাকাবাসীর পক্ষে জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শামশুল আলম সিকদার। অভিযোগে বলা হয়, জাতীয় সংসদ, উপজেলা ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ বিভিন্ন নির্বাচনে এই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের সময় কোনো ধরনের গোলযোগ বা অরাজকতার ঘটনা ঘটেনি। এরপরও একটি মহল পরিকল্পিতভাবে কেন্দ্রটি অন্যত্র সরানোর চেষ্টা করছে।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল আজমের ইন্ধনে ভোটকেন্দ্র সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শহিদুল আজম। তিনি বলেন, সুন্দরপুর ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডেই তাঁর ভোটার রয়েছে। তিনি চাইলে আগেই ভোটকেন্দ্র সরানোর উদ্যোগ নিতে পারতেন। কিন্তু তা করেননি। ১ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটাররা তাঁকে সমর্থন করেন বলেও দাবি করেন তিনি।
শহিদুল আজম বলেন, ‘১ নম্বর ওয়ার্ডের সব ভোটারের জন্য সুবিধাজনক স্থানে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হলে আমার কোনো আপত্তি নেই। এ বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত কোনো পছন্দ-অপছন্দ নেই।’
এদিকে গতকাল বিকেলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কেন্দ্রটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে তদন্ত করার কথা ছিল। তবে তাঁরা ঘটনাস্থলে না গিয়ে উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করে ফিরে যান বলে জানা গেছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
এলাকাবাসীর দাবি, ভোটারদের যাতায়াতের সুবিধা, দীর্ঘদিনের ব্যবস্থাপনা এবং অতীতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটার বিষয় বিবেচনা করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ছোট ছিলোনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই ভোটকেন্দ্র বহাল রাখা হোক।
.png)
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
ফটিকছড়ির সুন্দরপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট ছিলোনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের ভোটকেন্দ্রটি সরিয়ে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের আজিমপুর কল্লোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেওয়ার উদ্যোগের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ছোট ছিলোনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেন তাঁরা।
এলাকাবাসীর দাবি, ছোট ছিলোনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ওয়ার্ডের মাঝামাঝি এবং ভোটারদের জন্য সুবিধাজনক স্থানে। প্রায় ৪০ বছর ধরে সেখানে ভোট গ্রহণ হয়ে আসছে। তাই কেন্দ্রটি আগের স্থানেই বহাল রাখতে হবে।
এলাকাবাসীর পক্ষে জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শামশুল আলম সিকদার। অভিযোগে বলা হয়, জাতীয় সংসদ, উপজেলা ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ বিভিন্ন নির্বাচনে এই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের সময় কোনো ধরনের গোলযোগ বা অরাজকতার ঘটনা ঘটেনি। এরপরও একটি মহল পরিকল্পিতভাবে কেন্দ্রটি অন্যত্র সরানোর চেষ্টা করছে।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল আজমের ইন্ধনে ভোটকেন্দ্র সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শহিদুল আজম। তিনি বলেন, সুন্দরপুর ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডেই তাঁর ভোটার রয়েছে। তিনি চাইলে আগেই ভোটকেন্দ্র সরানোর উদ্যোগ নিতে পারতেন। কিন্তু তা করেননি। ১ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটাররা তাঁকে সমর্থন করেন বলেও দাবি করেন তিনি।
শহিদুল আজম বলেন, ‘১ নম্বর ওয়ার্ডের সব ভোটারের জন্য সুবিধাজনক স্থানে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হলে আমার কোনো আপত্তি নেই। এ বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত কোনো পছন্দ-অপছন্দ নেই।’
এদিকে গতকাল বিকেলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কেন্দ্রটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে তদন্ত করার কথা ছিল। তবে তাঁরা ঘটনাস্থলে না গিয়ে উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করে ফিরে যান বলে জানা গেছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
এলাকাবাসীর দাবি, ভোটারদের যাতায়াতের সুবিধা, দীর্ঘদিনের ব্যবস্থাপনা এবং অতীতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটার বিষয় বিবেচনা করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ছোট ছিলোনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই ভোটকেন্দ্র বহাল রাখা হোক।
.png)
আপনার মতামত লিখুন