ফেজবুক পোষ্ট দিয়ো বিএনপির রাজনীতি থেকে বিদায় নিলেন ওমান প্রবাসী খোকন
নিজের ফেসবুক পোস্টে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা, আর কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত না থাকার সিদ্ধান্ত
প্রবাসী প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে স্বেচ্ছায় ও সসম্মানে বিদায় নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ফটিকছড়ি জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ খোকন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি রাজনীতি থেকে সম্পূর্ণভাবে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক দল বা রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকার বিষয়টিও স্পষ্ট করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে ‘বিদায় প্রিয় দল এবং রাজনীতি’ শিরোনামে ফয়সাল আহমেদ খোকন লেখেন, দীর্ঘদিনের পথচলা, আবেগ, স্বপ্ন ও অসংখ্য স্মৃতির পর তাঁকে অত্যন্ত কঠিন একটি সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি স্বেচ্ছায় ও সম্মানের সঙ্গে তাঁর প্রিয় রাজনৈতিক সংগঠন বিএনপি থেকে বিদায় নিচ্ছেন।
রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি ব্যক্তিগত চিন্তা, জীবনধারা ও সার্বিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক জীবন তাঁকে অনেক কিছু শিখিয়েছে এবং বহু মানুষের ভালোবাসা ও অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ করেছে। তবে জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে পথচলার ধরন পরিবর্তিত হয়। সবকিছু বিবেচনা করেই তিনি রাজনীতি থেকে পুরোপুরি সরে দাঁড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পোস্টে নিজের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ফয়সাল আহমেদ খোকন। তিনি লেখেন, যে দলের সঙ্গে ভালোবাসা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন, সেই দলের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা সবসময় থাকবে। রাজনৈতিক পথচলায় যারা পাশে ছিলেন, ভালোবেসেছেন, গঠনমূলক সমালোচনা করেছেন কিংবা উৎসাহ দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি তিনি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।
এ ছাড়া পথচলার কোনো পর্যায়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানান তিনি।
রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ালেও দেশের প্রতি তাঁর শুভকামনা অব্যাহত থাকবে বলে পোস্টে উল্লেখ করেন ফয়সাল আহমেদ খোকন। তিনি লেখেন, রাজনীতিতে থাকুন বা না থাকুন, দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে তিনি সবসময় দেশের মঙ্গল কামনা করবেন।
পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, ‘ভালো থাকুক প্রিয় দল, ভালো থাকুক প্রিয় বাংলাদেশ। সবাইকে ধন্যবাদ।’
ফয়সাল আহমেদ খোকনের এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পথচলার অবসানের কথা সামনে এসেছে। তাঁর এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে, খোকনের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান সমাজে চাঁদাবাজি, শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন, চুরি-ডাকাতি, খুনসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, এসব ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও হতাশা তৈরি করছে। বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তা, নারীর সুরক্ষা এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলে বর্তমান সরকার তা থেকে সম্পন্ন ব্যার্থ।
তিনি মনে করেন, অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক অবস্থান কিংবা প্রভাব-প্রতিপত্তি বিবেচনা করে দায় মুক্তি দিচ্ছে। একই সঙ্গে অপরাধের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত না করা, ভুক্তভোগীকে আশ্বস্ত করে তা বাস্তবায়িত না করা সহ নানান অভিযোগ তার।
ফয়সাল আহমেদ খোকনের বক্তব্যে আরও উঠে আসে, যখন অপরাধের যথাযথ বিচার হয় না কিংবা অপরাধীরা শাস্তির বাইরে থেকে যায়, তখন মানুষের মধ্যে আইন ও বিচারব্যবস্থা নিয়ে আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং দল-মতনির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
এর আগে তিনি আরেকটি পোষ্ট করে JusticeForHalima, শিশুদের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার চাই শোক ও সমবেদনা জানান। ঐ পোষ্টে তিনি লিখেন-
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মাত্র তিন বছরের শিশু হালিমার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানাচ্ছি। এই হৃদয়বিদারক ঘটনা মেনে নেওয়া সত্যিই কঠিন।
যে বয়সে একটি শিশুর হাসি, খুনসুটি আর ছোটাছুটিতে মুখর থাকার কথা পুরো পরিবার, যে বয়সে তার নিষ্পাপ হাসিতে আনন্দে ভরে ওঠার কথা ঘর—সেই বয়সেই আজ শিশু হালিমার নিথর দেহ উদ্ধারের খবর আমাদের গভীরভাবে মর্মাহত করেছে।
মাত্র তিন বছরের ছোট্ট হালিমার কী অপরাধ ছিল? কেন তাকে এভাবে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হলো? কী ঘটেছিল তার সঙ্গে? এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা। তবে এই ঘটনা আমাদের মনে গভীর শোক, উদ্বেগ ও অসংখ্য প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
একটি নিষ্পাপ শিশুর এমন করুণ পরিণতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার মতো নয়। আমরা শিশু হালিমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ যেন পরিবারটিকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য দান করেন। আমিন।
আমাদের দাবি, এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করতে হবে। যদি কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে, তবে দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। আর কোনো শিশুর জীবন যেন এভাবে অকালে ঝরে না যায়।
ছোট্ট হালিমার জন্য রইল গভীর শোক ও ভালোবাসা।
এদিকে তার ফেজবুক গুরে দেখা যায়, তার রাজনীতির ক্যারিয়ারের শতশত ছবি।
যেখানে বিভিন্ন মিটিং মিছিলে তার অংশগ্রহণ ছিলো চোখে পড়ার মতো।
#JusticeForHalima #শিশুদের_নিরাপত্তা #ন্যায়বিচার_চাই #শোক_ও_সমবেদনা
.png)
রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
ফেজবুক পোষ্ট দিয়ো বিএনপির রাজনীতি থেকে বিদায় নিলেন ওমান প্রবাসী খোকন
নিজের ফেসবুক পোস্টে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা, আর কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত না থাকার সিদ্ধান্ত
প্রবাসী প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে স্বেচ্ছায় ও সসম্মানে বিদায় নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ফটিকছড়ি জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ খোকন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি রাজনীতি থেকে সম্পূর্ণভাবে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক দল বা রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকার বিষয়টিও স্পষ্ট করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে ‘বিদায় প্রিয় দল এবং রাজনীতি’ শিরোনামে ফয়সাল আহমেদ খোকন লেখেন, দীর্ঘদিনের পথচলা, আবেগ, স্বপ্ন ও অসংখ্য স্মৃতির পর তাঁকে অত্যন্ত কঠিন একটি সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি স্বেচ্ছায় ও সম্মানের সঙ্গে তাঁর প্রিয় রাজনৈতিক সংগঠন বিএনপি থেকে বিদায় নিচ্ছেন।
রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি ব্যক্তিগত চিন্তা, জীবনধারা ও সার্বিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক জীবন তাঁকে অনেক কিছু শিখিয়েছে এবং বহু মানুষের ভালোবাসা ও অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ করেছে। তবে জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে পথচলার ধরন পরিবর্তিত হয়। সবকিছু বিবেচনা করেই তিনি রাজনীতি থেকে পুরোপুরি সরে দাঁড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পোস্টে নিজের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ফয়সাল আহমেদ খোকন। তিনি লেখেন, যে দলের সঙ্গে ভালোবাসা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন, সেই দলের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা সবসময় থাকবে। রাজনৈতিক পথচলায় যারা পাশে ছিলেন, ভালোবেসেছেন, গঠনমূলক সমালোচনা করেছেন কিংবা উৎসাহ দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি তিনি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।
এ ছাড়া পথচলার কোনো পর্যায়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানান তিনি।
রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ালেও দেশের প্রতি তাঁর শুভকামনা অব্যাহত থাকবে বলে পোস্টে উল্লেখ করেন ফয়সাল আহমেদ খোকন। তিনি লেখেন, রাজনীতিতে থাকুন বা না থাকুন, দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে তিনি সবসময় দেশের মঙ্গল কামনা করবেন।
পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, ‘ভালো থাকুক প্রিয় দল, ভালো থাকুক প্রিয় বাংলাদেশ। সবাইকে ধন্যবাদ।’
ফয়সাল আহমেদ খোকনের এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পথচলার অবসানের কথা সামনে এসেছে। তাঁর এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে, খোকনের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান সমাজে চাঁদাবাজি, শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন, চুরি-ডাকাতি, খুনসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, এসব ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও হতাশা তৈরি করছে। বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তা, নারীর সুরক্ষা এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলে বর্তমান সরকার তা থেকে সম্পন্ন ব্যার্থ।
তিনি মনে করেন, অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক অবস্থান কিংবা প্রভাব-প্রতিপত্তি বিবেচনা করে দায় মুক্তি দিচ্ছে। একই সঙ্গে অপরাধের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত না করা, ভুক্তভোগীকে আশ্বস্ত করে তা বাস্তবায়িত না করা সহ নানান অভিযোগ তার।
ফয়সাল আহমেদ খোকনের বক্তব্যে আরও উঠে আসে, যখন অপরাধের যথাযথ বিচার হয় না কিংবা অপরাধীরা শাস্তির বাইরে থেকে যায়, তখন মানুষের মধ্যে আইন ও বিচারব্যবস্থা নিয়ে আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং দল-মতনির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
এর আগে তিনি আরেকটি পোষ্ট করে JusticeForHalima, শিশুদের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার চাই শোক ও সমবেদনা জানান। ঐ পোষ্টে তিনি লিখেন-
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মাত্র তিন বছরের শিশু হালিমার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানাচ্ছি। এই হৃদয়বিদারক ঘটনা মেনে নেওয়া সত্যিই কঠিন।
যে বয়সে একটি শিশুর হাসি, খুনসুটি আর ছোটাছুটিতে মুখর থাকার কথা পুরো পরিবার, যে বয়সে তার নিষ্পাপ হাসিতে আনন্দে ভরে ওঠার কথা ঘর—সেই বয়সেই আজ শিশু হালিমার নিথর দেহ উদ্ধারের খবর আমাদের গভীরভাবে মর্মাহত করেছে।
মাত্র তিন বছরের ছোট্ট হালিমার কী অপরাধ ছিল? কেন তাকে এভাবে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হলো? কী ঘটেছিল তার সঙ্গে? এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা। তবে এই ঘটনা আমাদের মনে গভীর শোক, উদ্বেগ ও অসংখ্য প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
একটি নিষ্পাপ শিশুর এমন করুণ পরিণতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার মতো নয়। আমরা শিশু হালিমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ যেন পরিবারটিকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য দান করেন। আমিন।
আমাদের দাবি, এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করতে হবে। যদি কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে, তবে দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। আর কোনো শিশুর জীবন যেন এভাবে অকালে ঝরে না যায়।
ছোট্ট হালিমার জন্য রইল গভীর শোক ও ভালোবাসা।
এদিকে তার ফেজবুক গুরে দেখা যায়, তার রাজনীতির ক্যারিয়ারের শতশত ছবি।
যেখানে বিভিন্ন মিটিং মিছিলে তার অংশগ্রহণ ছিলো চোখে পড়ার মতো।
#JusticeForHalima #শিশুদের_নিরাপত্তা #ন্যায়বিচার_চাই #শোক_ও_সমবেদনা
.png)
আপনার মতামত লিখুন