২০২৬ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) তাদের ভিসা ও রেসিডেন্সি নীতিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট সিকিউরিটি (ICP) এবং দুবাইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নতুন সিদ্ধান্তে পর্যটন, বিনিয়োগ ও স্বাস্থ্যসেবা—সব ক্ষেত্রেই এসেছে বড় ধরনের সহজীকরণ।
নতুন নিয়মে যা বদলাল—
প্রথমত, অন-অ্যারাইভাল ভিসার সুযোগ আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। আগে নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য সীমিত থাকা ১৪ ও ৬০ দিনের বিশেষ ভিসার সুবিধা এখন আরও কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্যও উন্মুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি কিছু দেশের বৈধ রেসিডেন্স পারমিটধারীরাও এই সুবিধার আওতায় আসবেন।
দ্বিতীয়ত, দুবাইয়ে পর্যটকদের জন্য দ্রুত ভিসা প্রসেসিং চালু করা হয়েছে। অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ৩০ থেকে ৬০ দিনের সিঙ্গেল-এন্ট্রি ট্যুরিস্ট ভিসা পাওয়া যাবে।
তৃতীয়ত, সম্পত্তি-ভিত্তিক রেসিডেন্সি নিয়মে বড় পরিবর্তন এসেছে। নির্দিষ্ট বিনিয়োগমূল্যের বাধ্যবাধকতায় কিছু শিথিলতা আনা হলেও একক মালিকানা এবং যৌথ মালিকানায় নির্দিষ্ট শেয়ার-মূল্য বজায় রাখার শর্ত রাখা হয়েছে।
চতুর্থত, ফ্লাইট বিঘ্ন ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে অতিরিক্ত অবস্থানকারী দর্শনার্থীদের জন্য ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড ঘোষণা করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের ভিসা বৈধ করতে বা দেশ ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।
পঞ্চমত, চিকিৎসা পর্যটনকে আরও সহজ করতে “স্মার্ট মেডিকেল ভিসা” চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে রোগীদের আগমন থেকে চিকিৎসা ও ফলো-আপ পর্যন্ত ভিসা প্রক্রিয়া আরও সমন্বিত ও দ্রুত হবে।
সবশেষে, স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের জন্য সাময়িকভাবে নতুন ভিসা ইস্যু স্থগিত করা হয়েছে।
নতুন এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ইউএই তাদের ভ্রমণ, বিনিয়োগ ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, দ্রুত এবং নিরাপদ করার লক্ষ্য নিয়েছে।
.png)
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
২০২৬ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) তাদের ভিসা ও রেসিডেন্সি নীতিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট সিকিউরিটি (ICP) এবং দুবাইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নতুন সিদ্ধান্তে পর্যটন, বিনিয়োগ ও স্বাস্থ্যসেবা—সব ক্ষেত্রেই এসেছে বড় ধরনের সহজীকরণ।
নতুন নিয়মে যা বদলাল—
প্রথমত, অন-অ্যারাইভাল ভিসার সুযোগ আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। আগে নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য সীমিত থাকা ১৪ ও ৬০ দিনের বিশেষ ভিসার সুবিধা এখন আরও কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্যও উন্মুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি কিছু দেশের বৈধ রেসিডেন্স পারমিটধারীরাও এই সুবিধার আওতায় আসবেন।
দ্বিতীয়ত, দুবাইয়ে পর্যটকদের জন্য দ্রুত ভিসা প্রসেসিং চালু করা হয়েছে। অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ৩০ থেকে ৬০ দিনের সিঙ্গেল-এন্ট্রি ট্যুরিস্ট ভিসা পাওয়া যাবে।
তৃতীয়ত, সম্পত্তি-ভিত্তিক রেসিডেন্সি নিয়মে বড় পরিবর্তন এসেছে। নির্দিষ্ট বিনিয়োগমূল্যের বাধ্যবাধকতায় কিছু শিথিলতা আনা হলেও একক মালিকানা এবং যৌথ মালিকানায় নির্দিষ্ট শেয়ার-মূল্য বজায় রাখার শর্ত রাখা হয়েছে।
চতুর্থত, ফ্লাইট বিঘ্ন ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে অতিরিক্ত অবস্থানকারী দর্শনার্থীদের জন্য ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড ঘোষণা করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের ভিসা বৈধ করতে বা দেশ ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।
পঞ্চমত, চিকিৎসা পর্যটনকে আরও সহজ করতে “স্মার্ট মেডিকেল ভিসা” চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে রোগীদের আগমন থেকে চিকিৎসা ও ফলো-আপ পর্যন্ত ভিসা প্রক্রিয়া আরও সমন্বিত ও দ্রুত হবে।
সবশেষে, স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের জন্য সাময়িকভাবে নতুন ভিসা ইস্যু স্থগিত করা হয়েছে।
নতুন এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ইউএই তাদের ভ্রমণ, বিনিয়োগ ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, দ্রুত এবং নিরাপদ করার লক্ষ্য নিয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন